বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, মাদককে নিরুৎসাহিত করতে চাকুরীতে ঢোকার সময় এবং বছরে একবার সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীরা মাদক পরীক্ষা বা ডোপ টেস্টের আওতায় আসবেন এবং এই টেস্টে যারা পজিটিভ হবেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

“একই সাথে বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে যারা ভর্তি হবে বা নতুন যারা শিক্ষক হবেন তারা সবাই ডোপ টেস্টের আওতায় আসবেন-এটাও আমরা আলোচনা করেছি। আবার আমাদের যেসব মাদকদ্রব্য এখানে আসে সেটাকে কিভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারি তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে,” সচিবালয়ে এক বৈঠকের পর সাংবাদিকদের বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি কুরিয়ার সার্ভিসে মাদক আসা ছাড়াও দেশের বেশ কিছু জায়গায় অভিযানকালে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এলএসডি’র মতো কিছু মাদক উদ্ধারের দাবি করেছে যা দেশে একেবারেই নতুন। এছাড়া ইয়াবাসহ কিছু মাদক চোরাপথে ব্যাপকভাবে বাংলাদেশে আসছে বলে অভিযোগ আছে।

এলএসডি স্বচ্ছ, গন্ধহীন একটি পদার্থ।
এলএসডি স্বচ্ছ, গন্ধহীন একটি পদার্থ।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলছেন, “প্রধানমন্ত্রী মাদককে জিরো টলারেন্স নীতি ফলো করে এগুতে বলেছেন এবং যেসব সংবাদ আসছে বা যেগুলো শুনছি সেগুলো কিভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়, এর উৎস কী, কিংবা ভুক্তভোগী করা এসব নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি।”

“মাদক আমরা তৈরি করিনা। এগুলো বাইরে থেকে আসে। আর এর ভুক্তভোগী হলো আমাদের তরুণ প্রজন্ম। কিভাবে আসে সেগুলো আমরা আলোচনা করেছি।”

তিনি বলেন, কিছু ভয়ংকর মাদক কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে এসেছে। সেজন্য ডাক বিভাগকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে যাতে মালপত্র স্ক্যান করার ব্যবস্থা নেয় কুরিয়ার সার্ভিস প্রতিষ্ঠান। না করলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।